ডাউনলোড করার আগে এটি পড়ুন

ডাউনলোডে ক্লিকে ৩টি বিজ্ঞাপন আসতে পারে। বিজ্ঞাপন আসলে ফোনে থাকা ব্যাক বাটন (Back Button) চেপে বিজ্ঞাপন কেটে দিন। তারপর ফাইলটি সেভ হবে।

জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা | শিখে রাখুন ভবিষ্যতে কাজে আসবে - Sourav Tech Bro – Tech, Editing & Apps Blog

জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা | শিখে রাখুন ভবিষ্যতে কাজে আসবে

জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা | শিখে রাখুন ভবিষ্যতে কাজে আসবে.!


মানসিক কৌশল
কারও মানসিক জগৎকে এলোমেলো করে দেওয়ার ৫টি কৌশল→
১. কেউ যখন ক্ষমা চায়, তখন “It's okay” বলার বদলে বলো-"আমি জানি।” এটা ঠান্ডা শোনায়। এটা আধিপত্য দেখায়। আর এতে তাদের ক্ষমা চাওয়ার ভেতরের শক্তিটাই ভেঙে যায়।
২. কেউ যখন তোমার সঙ্গে কথা বলছে, তখন তার চোখে না তাকিয়ে চুপচাপ তার জুতোর দিকে তাকিয়ে থাকো। ও ধীরে ধীরে অস্বস্তি বোধ করবে। বারবার কথা বাড়াতে শুরু করবে। আর মনে মনে ভাববে-"আমি কি কিছু ভুল বলছি?” নীরবতাই এখানে কাজটা করে দেয়।
৩. কাউকে হালকা হাসি দিয়ে বলো-"তুমি আমাকে একজনের কথা মনে করিয়ে দাও, যাকে একসময় আমি পছন্দ করতাম না।" তারপর আর কিছু বোলো না। শুধু হাসো। এই কথাটা সরাসরি আঘাত করে না, কিন্তু মনে থেকে যায়।
৪. কথা বলতে বলতে হঠাৎ জিজ্ঞেস করো-"তুমি সব সময় হাত দিয়ে এটা কেন করো?" যদিও সে আসলে কিছুই করছিল না। এই প্রশ্নটা শুনে সে হঠাৎ নিজের হাতের দিকে খেয়াল করবে। কারণ এখন তার মনে হবে-তাকে কেউ পর্যবেক্ষণ করছে।
৫. কথা বলতে বলতে হঠাৎ থেমে, এক মুহূর্তের জন্য তার পেছনের দিকে উদ্বিগ্ন চোখে তাকাও। তারপর যেন কিছুই হয়নি-স্বাভাবিকভাবে আবার কথা চালিয়ে যাও। ও বুঝে উঠতে পারবে না কী হলো।
𒊹︎ভবিষ্যতের জন্য এই Page টি Follow করুন
SHORUB

আপনার জীবনকে পুরোপুরি বদলে দিবে এমন কিছু ফটো এবং ক্যাপশন ২০২৬


জ্ঞানমূলক কিছু কথা
একজন মানুষকে চিরতরে বদলে দেয় এমন ৭টি ঘটনা →
১. জীবনে প্রথমবার নিজের সন্তানকে কোলে নেওয়া।
২. বাবাকে হারানোর শোক।
৩. হঠাৎ সেই ফোন কল যেখানে জানতে পারো, যাকে ভালোবাসতে সে আর নেই।
৪. যাকে মন থেকে ভালোবাসো, তাকে ধীরে ধীরে তোমার প্রতি ভালোবাসা হারাতে দেখা।
৫. জীবনের একেবারে তলানিতে পৌঁছানোর সময় একা ফেলে চলে যাওয়া।
৬. একদিন হঠাৎ বুঝতে পারা— তুমি নিজেই সেই মানুষ হয়ে যাচ্ছো, যেমন মানুষ হতে তুমি কখনোই চাওনি।
৭. জীবনে প্রথমবার সত্যিকারের একা হয়ে যাওয়া।
𒊹︎ভবিষ্যতের জন্য এই Page টি Follow করুন
SHORUB



জ্ঞানমূলক কিছু কথা
জীবনের কিছু কঠোর আসল সত্যি কথা→
"আমি হালকা বোঝা চাই না, আমি চাই এমন কাঁধ যা যেকোনো বোঝা বহন করতে পারে।"
"তোমার বাবা-মা-ও এই দুনিয়া প্রথমবার পার করছে। তাই তাদের সাথে একটু নরম হও।"
"নরককে সুন্দর করা শয়তানের পক্ষে সম্ভব নয়, তাই সে সুন্দর পথ বানায়— যে পথ শেষে নরকেই গিয়ে ফেলো।"
"যে একবার বিশ্বাসঘাতকতা করে, সে হাজারবার করবে। পুরো সমুদ্র খেতে হয় না— এক ফোঁটাই বুঝিয়ে দেয় লবণাক্ততা।"
"একটা সত্য দিয়ে তুমি পঞ্চাশজন জ্ঞানীকে চুপ করাতে পারো, কিন্তু পঞ্চাশটা সত্য দিয়েও একটা নির্বোধকে বোঝানো যায় না।"
"আজ যদি আমার ছোটবেলার আমি'র সাথে কফি খেতে যাই... আমি সিগারেট জ্বালালে— সে নিশ্চুপে টেবিল ছেড়ে চলে যাবে।"
𒊹︎ভবিষ্যতের জন্য এই Page টি Follow করুন
SHORUB



জ্ঞানমূলক কিছু কথা
কেউ তোমাকে দেখে হিংসে করলে..
তার আচরণ এমন হয় →
১. তোমার পিছনে খারাপ কথা বলে।
২. তোমার সাফল্যে কখনো অভিনন্দন জানায় না।
৩. তোমার কোনো খারাপ খবর জানতে অতিরিক্ত আগ্রহ দেখায়।
৪. কেউ তোমাকে অপমান করলে সেটা দেখে সবচেয়ে বেশি হাসে।
৫. পরামর্শের ভান করে সবসময় মানুষের সামনে তোমাকে ছোট করে।
৬. বিনা কারণে তোমার সাথে ঠান্ডা, রাগী বা কটু কথা ব্যবহার করে।
৭. তোমার বড় অর্জনগুলোও সাধারণ বলে দেখাতে চেষ্টা করে।
৮. প্রশংসা করলেও সঙ্গে সঙ্গে একটা খোঁচা দিয়ে দেয়।
𒊹︎ভবিষ্যতের জন্য এই Page টি Follow করুন
SHORUB



হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রমাণ করা কিছু শক্তিশালী Aura(অরা)
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রমাণ করা কিছু শক্তিশালী Aura(অরা) থাকা মানুষের লক্ষণ →
১. অচেনা মানুষও তোমার দিকে টানে, আর কেউ কেউ তোমাকে দেখে একটু ঘাবড়ে যায়।
২. মানুষ কারণ ছাড়া তোমার দিকে তাকিয়ে থাকে, যেন তোমার ভেতরে কী আছে বুঝতে চায়।
৩. তুমি চুপ থাকলেই অনেকের মন কেমন যেন হয়ে যায়- কেউ নার্ভাস, কেউ শান্ত।
৪. তুমি কোথাও ঢুকলেই পুরো জায়গার এনার্জি বদলে যায়, সবাই তোমার উপস্থিতি টের পায়।
৫. মানুষ তোমাকে একা একবার দেখেই মনে রাখে, তোমার মতো vibe সবাই পায় না।
৬. তুমি মনোযোগ চাও না, তবুও মনোযোগ নিজেই তোমার কাছে আসে।
৭. অনেকেই তোমার ওপর হিংসে করে, যদিও তোমাকে ভালো করে চিনেও না।
৮. মানুষ তোমার কথা, স্টাইল, আইডিয়া কপি করে, কারণ তোমার মতো ভাবতে সবাই পারে না।
৯. তুমি যেখানেই যাও, লোকজন তোমাকে সিরিয়াসলি নেয়, কারণ তোমার ভেতরে একটা আলাদা বিশ্বাস কাজ করে।
১০. তোমার কথা কম-কিন্তু প্রভাব বেশি, তুমি যেটা বলো, সেটা মানুষ মনে রাখে।
১১. তুমি সহজে কারও সাথে মিশো না, তাই তোমার উপস্থিতির দাম মানুষ বেশি দেয়।
১২. তোমার পরিবর্তন করতে ইচ্ছে না থাকলেও, তুমি অনেকে বদলে দাও, কারণ তোমার চরিত্রই অন্যদের অনুপ্রাণিত করে।
১৩. তোমার এনার্জি অনেকের কাছে রহস্যের মতো লাগে, তাই তারা তোমাকে বোঝার চেষ্টা করে, বিচার করার আগে।
১৪. তুমি কারও পিছনে ছুটো না, তাই মানুষ নিজে থেকেই তোমার মূল্য বুঝতে শেখে।
১৫. তোমার সামনে অনেকেই নিজের আসল রূপ দেখাতে ভয় পায়, কারণ তোমার চোখে ফাঁকি ধরা পড়ে যায়।
১৬. তুমি হার মেনে নাও না, আর এই জেদের কারণেই তোমার উপস্থিতি মানুষকে অনুপ্রেরণা দেয়।
𒊹︎ভবিষ্যতের জন্য এই Page টি Follow করুন
SHORUB



জ্ঞানমূলক কিছু কথা
জীবন বদলাতে চাইলে, এই কথাগুলো শুধু পড়ো না, নিজের জীবনে প্রয়োগ করো।
১. জীবন অদ্ভুত — শূন্য থেকে শুরু, শূন্যেই শেষ! আমরা পৃথিবীতে আসি একদম খালি হাতে। তারপর সারা জীবন দৌড়াই—টাকা, সম্মান, সাফল্য, স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য। আমরা ভাবি “আরও একটু পেলে শান্তি পাবো”, কিন্তু শেষদিন সবকিছু এখানেই রেখে যেতে হয়। মানুষ হিসেবে ভিতরে কী জমালাম—সেটাই আসল অর্জন।
২. আশীর্বাদের কথা বলো, কষ্টের নয়—কারণ মন যেদিকে তাকায়, জীবন সেদিকেই যায়। জীবনে দুইটা জানালা আছে— একটা দিয়ে দেখা যায় অভিযোগ, কষ্ট, তুলনা। আরেকটা দিয়ে দেখা যায় কৃতজ্ঞতা, আশা, বিশ্বাস। তুমি যেটা বেশি দেখবে, জীবন ঠিক সেদিকেই যাবে।
৩. সুখ পাওয়ার সামান্য সম্ভাবনাও যদি থাকে—চেষ্টা করো। আমরা ভয় পাই— "ব্যর্থ হবো না তো?" "মানুষ হাসবে?" "সময় নষ্ট হবে?" কিন্তু সবচেয়ে বড় হার হলো—সুযোগকে চেষ্টা না করা। যা তোমাকে সামান্য সুখী করতে পারে—সেটার জন্য ঝুঁকি নাও।
জগৎ এমন— তুমি যে শক্তি ছড়াও, সেই শক্তিই তোমার কাছে ফিরে আসে। মন ভালো রাখলে আশীর্বাদ বাড়ে, মন বিষণ্ণ হলে কষ্ট বাড়ে। তাই যে জানালা তোমাকে কষ্ট দেয়—তুলনা, নেগেটিভ মানুষ— সেটা বন্ধ করো। জীবন ছোট, সুখ মূল্যবান। ব্যর্থ হলেও চেষ্টা করো, কিন্তু চেষ্টা না করে অপূর্ণ থেকো না।
𒊹︎ভবিষ্যতের জন্য এই Page টি Follow করুন
SHORUB



সফলতার ৯টি অন্ধকার সত্য
সফলতার ৯টি অন্ধকার সত্য →
১. তুমি জেতার আগে পর্যন্ত সবাই তোমাকে চিয়ার করবে। জিতে ফেললে? তারা চুপচাপ হয়ে যাবে।
২. তোমার Comfort Zone আর তোমার Destiny — এরা একে অপরের শত্রু।
৩. প্রতিভা নজর কাড়ে, কিন্তু নিয়মিত শৃঙ্খলাই সম্পদ বানায়।
৪. তোমার যখন আর কাউকে লাগবে না, তখনই তারা তোমাকে বুঝতে শুরু করবে।
৫. ঈর্ষার আওয়াজ, অভিনন্দনের চেয়ে অনেক জোরে হয়।
৬. উপরে উঠতে উঠতে কিছু বন্ধুকে হারাতে হবে — এটা স্বাভাবিক।
৭. Motivation অনেকটাই ভুয়া, তোমার আসল পরিচয়ই তোমাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
৮. পরিশ্রমের সময় কেউ তালি দেয় না, তারা তালি দেয় শুধুই 'Glow Up' দেখে।
৯. ব্যর্থতা শত্রু দেখায় কম, সাফল্য শত্রুদের মুখোশ খুলে দেয় বেশি।
𒊹︎ভবিষ্যতের জন্য এই Page টি Follow করুন
SHORUB



মানসিকভাবে শক্ত মানুষ হওয়ার ১২টি নিয়ম
মানসিকভাবে শক্ত মানুষ হওয়ার ১২টি নিয়ম →
১. নিরন্তর শিখতে থাকো জ্ঞান তোমাকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে এবং অন্যের ভুল প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
২. সীমা নির্ধারণ করো নেতিবাচক মানুষ আর বিষাক্ত আচরণ থেকে নিজের শক্তি বাঁচিয়ে রাখো।
৩. ধৈর্য অনুশীলন করো অধীর মন দ্রুত ভেঙে পড়ে; ধৈর্যই স্থিরতা আনে।
৪. নিজের ভাবনাকে নিয়ন্ত্রণ করো যা তোমার হাতে আছে, সেটাতে মন দাও। যা তোমার নিয়ন্ত্রণে নেই, তা নিয়ে ভাবনা বাদ দাও।
৫. নাটক (Drama) থেকে দূরে থাকো অযথা আবেগের ঝামেলা শক্তি নষ্ট করে। শান্ত থাকাই শক্তির লক্ষণ।
৬. অন্যের অনুমোদনে (Approval) বাঁচো না নিজের সিদ্ধান্তে ভরসা রাখতে শেখো। শক্ত মানুষ নিজের বিচারবুদ্ধিকেই বেশি মূল্য দেয়।
৭. শক্ত মানুষের সঙ্গ বেছে নাও তোমার আশেপাশের মানুষই তোমার মানসিকতা গড়ে দেয়। তাই শক্ত, ইতিবাচক মানুষদের সাথে থাকো।
৮. শরীরকে শক্ত রাখো মনের সাথে শরীরের সংযোগ গভীর। শরীর ভালো থাকলে মনও পরিষ্কার থাকে।
৯. সবকিছু প্রশ্ন করো গভীরভাবে ভাবা তোমাকে ভুল প্রভাব থেকে বাঁচায়। প্রশ্নই সত্যের পথ খুলে দেয়।
১০. ফলাফলে নয়, চেষ্টা-এ মন দাও ফল সবসময় নিয়ন্ত্রণে থাকে না, কিন্তু চেষ্টা তোমার হাতেই। শক্ত মন কখনো হারে না—চেষ্টা চালিয়ে যায়।
১১. নিজেকে সময় দাও সব কাজ, সব অনুভূতি, সব পরিবর্তন – সময় চায়। নিজের প্রতি নরম হও, কারণ তাড়াহুড়া কখনোই গভীর উন্নতি আনে না।
১২. নিজের শান্তিকে অগ্রাধিকার দাও যা তোমার মনে অশান্তি আনে, সেখান থেকে দূরে যাও। শান্ত মনই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।
𒊹︎ভবিষ্যতের জন্য এই Page টি Follow করুন!
SHORUB



জ্ঞানমূলক কিছু কথা
১৬টা লক্ষণ যা প্রমাণ করে তুমি শান্ত নও, তুমি বিপজ্জনক→
𒊹︎Chapter: 1 ☟︎ 1. তুমি সাথে সাথে রিয়াক্ট করো না, চুপচাপ দেখো: তুমি আগে মানুষ আর পরিস্থিতি বোঝো, তারপর কথা বলো। তাই মানুষ তোমার পরের পদক্ষেপ বুঝতে পারে না। 2. তোমার আঘাত করার ক্ষমতা আছে, কিন্তু তুমি ব্যবহার করো না: তুমি জানো তুমি পারো, কিন্তু তুমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখো। তাই তুমি সেইসব মানুষের থেকেও বেশি শক্তিশালী, যারা কথা বা রাগ দিয়ে সব নষ্ট করে ফেলে। 3. তুমি অন্ধকার সময় পার হয়েছো, কিন্তু ভাঙোনি: অনেকে যা সহ্য করতে পারত না, তুমি তা পার হয়ে এসেছো। এই নীরব শক্তি মানুষকে ভয় করায়।
𒊹︎Chapter: 2 ☟︎ 1. তুমি অপছন্দিত হতে ভয় পাও না: মানুষ তোমাকে পছন্দ করল কি না, সেটা তোমার সমস্যা না। তাই কেউ তোমাকে সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। 2. তুমি কম কথা বলো, কিন্তু গভীর কথা বলো: তোমার প্রতিটা কথার ওজন আছে। তাই তুমি কথা বললে মানুষ শুনে। 3. তুমি মানুষকে কাট করে দাও কোন নাটক ছাড়া: কেউ সীমা পার হলে তুমি চুপচাপ দূরে সরে যাও। কোনো ঝগড়া না, কোনো ব্যাখ্যা না। এই নীরবতা নিজের মধ্যেই শক্তি।
𒊹︎Chapter: 3 ☟︎ 1. তুমি বড়াই করো না, কাজ দিয়ে প্রমাণ করো: তোমার সাফল্যই কথা বলে। 2. তুমি মানুষের মন বুঝে ফেলো দ্রুত: বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, কণ্ঠ, আচরণ-ছোট জিনিস থেকেও তুমি বুঝে যাও মানুষ কেমন। 3. তোমার সীমানা খুব কঠিন: তোমার শান্তি তোমার কাছে সবচেয়ে বড়। কেউ সেটা নষ্ট করলে তুমি এক সেকেন্ডে দূরে চলে যাও।
𒊹︎Chapter: 4 ☟︎ 1. তুমি বিশ্বাস করো ধীরে, সবসময় পর্যবেক্ষণে থাকো: একবার ভুল করলে শেখো। দ্বিতীয়বার কাউকে তোমার সাথে খেলতে দাও না। 2. অন্যরা ভয় পায়, তুমি স্থির থাকো: সমস্যা হোক, ঝামেলা হোক-তুমি শান্ত থাকো। এই শান্ত অবস্থাই মানুষকে ভয় দেখায়। 3. তুমি নিজেকে ব্যাখ্যা করো না: যা সিদ্ধান্ত নাও, নিজের মতো নাও। অন্যকে বোঝানোর প্রয়োজন মনে করো না।
𒊹︎Chapter: 5 ☟︎ 1. তোমার বৃত্ত খুব ছোট: তুমি খুব কম মানুষকে কাছে আসতে দাও। তোমার বিশ্বাস পাওয়া সহজ নয়। 2. তুমি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতে পারো: চাপ বা কষ্টে তুমি উধাও হয়ে যাও না। তুমি সময় নিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসো। 3. তুমি অসম্মান সহ্য করো না: কেউ সীমা পার করলে তুমি সঙ্গে সঙ্গে থামিয়ে দাও। পরিষ্কার, দ্রুত, শেষ। 4. লাগে না এমন মানুষ হারাতে তুমি ভয় পাও না: তুমি একা থাকতে রাজি, কিন্তু মিথ্যা লোকেদের সাথে নয়। এটা বিরল সাহস।
𒊹︎ভবিষ্যতের জন্য এই Page টি Follow করুন!
SHORUB



জ্ঞানমূলক কিছু কথা
মাত্র ১৪ দিনে নিজেকে পুরোই বদলে ফেলবে এগুলো মানলে →
𒊹︎chapter: 1 ☟︎ Mindset Shift (Day 1-3) ১. চিনি সম্পূর্ণ বাদ দাও - কোনো চিনি নয় - কোনো আর্টিফিশিয়াল সুইটনার নয় - সফট ড্রিঙ্কস নয় - ফ্রুট জুস নয় → এতে মাথা পরিষ্কার হবে, এনার্জি স্টেবল হবে, আর ক্রেভিংস কমে যাবে। ■ ২. নিজের উদ্দেশ্য খুঁজে বের করো কাগজে লেখো: - কোন কাজ তোমাকে উত্তেজিত করে? - কোন কিছুর জন্য তুমি কষ্ট সহ্য করতে প্রস্তুত? - তুমি পৃথিবীকে কোন ভ্যালু দিতে পারো? → লক্ষ্য পরিষ্কার না হলে পরিবর্তন হয় না। ৩. মনকে ডিটক্স করো - অযথা স্ক্রল নয় - ফালতু এন্টারটেইনমেন্ট নয় - মনোযোগ নষ্টকারী কিছু নয় → মাথা যত পরিষ্কার থাকবে, ফোকাস তত শার্প হবে।
𒊹︎chapter: 2 ☟︎ Phase 2: Discipline & Body Reset (Day 4-7) ১. ডীপ ওয়ার্ক (প্রতিদিন ৩-৫ ঘন্টা) একটা স্কিল বা প্রজেক্ট বেছে নাও। নিরবচ্ছিন্ন ভাবে কাজ করো। → এই ৪ দিনে ব্রেইন রিসেট হবে। ■ ২. ওয়ার্কআউট প্রতিদিন - আগে করলে বাড়াও - না করলে শুরু করো: পুশ-আপ, পুল-আপ, স্কোয়াট, প্ল্যাঙ্ক → শরীর গরম হলে মানসিক শক্তিও বাড়ে। ৩. ক্লিন ডায়েট (কার্বস বাদ) - প্রোটিন - হেলদি ফ্যাট - শাকসবজি → শরীর ফ্যাটকে এনার্জি হিসেবে বার্ন করবে।
𒊹︎chapter: 3 ☟︎ Phase 3: Unstoppable Energy (Day 8-11) ১. নিখুঁত ঘুম (৬-৮ ঘণ্টা) - পুরো অন্ধকার রুম - ঘুমানোর আগে ও পরে ১ ঘন্টা ফোন নয় - প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো → ঘুম ঠিক না হলে এনার্জি ধ্বংস। ■ ২. জ্ঞান বাড়াও ১৪ দিনে একটা বই পড়ো: Self-mastery / Philosophy / Business → যে কোনো একটি। → চিন্তাশক্তি ১০ গুণ বাড়বে। ৩. একা হাঁটো (২০-৩০ মিনিট) - কোনো গান নয় - শুধু হাঁটো → গভীর চিন্তার সেরা সময়।
𒊹︎chapter: 4 ☟︎ Phase 4: Becoming Unrecognizable (Day 12-14) ১. Purpose নিয়ে চলাফেরা করো - আত্মবিশ্বাস নিয়ে হাঁটো - অকারণ নড়াচড়া নয় - অযথা কথা নয় → তোমার ভাইব পাল্টে যাবে। ■ ২. একটা স্কিল মাস্টারি শুরু করো ১৪ ডীপ ওয়ার্কের পর প্রোগ্রেস দেখবে। → এখান থেকেই সত্যিকারের রূপান্তর শুরু। ৩. ১৪ দিনের পর প্ল্যান করো এটা শেষ না — শুরু। নিজেকে জিজ্ঞেস করো: "আমি কেমন মানুষ হতে চাই?" → তারপর সেই লেভেলের লাইফস্টাইল ধরে রাখো। ■ শেষ কথা: ১৪ দিন নিয়ম ভাঙা যাবে না। শুধু করলেই— তুমি নিজের আগের ভার্সনকে চিনতেই পারবে না। আমি জানি, তুমি পারবে।
𒊹︎ভবিষ্যতের জন্য এই Page টি Follow করুন!
SHORUB



৫ টি অভ্যাস, যেগুলো ভবিষ্যৎ নষ্ট করে
৫ টি অভ্যাস, যেগুলো ধীরে ধীরে তোমার ভবিষ্যৎ শেষ করে দিচ্ছে →
১. সময় নষ্ট করা (অকারণে স্ক্রলিং) তুমি ভাবো কিছুই হচ্ছে না— কিন্তু সময় আস্তে আস্তে তোমাকে খেয়ে ফেলছে। প্রতিদিনের ছোট অপচয়ই ভবিষ্যতে বড় ক্ষতি হয়ে দাঁড়ায়।
২. নিজের সম্পর্কে খারাপ কথা বলা "আমি পারব না... আমি ভালো না... এই কথাগুলো যদি তুমি বারবার বলো— মস্তিষ্ক সেটাকেই সত্যি ধরে নেয়। তোমার মুখের কথা ধীরে ধীরে তোমার বাস্তবতা হয়ে যায়।
৩. নিজেকে অন্যের সাথে তুলনা করা "They're better than me...” – এই ভাবনাই তোমাকে দুর্বল করে। তুমি শুধু তাদের সাফল্য দেখো, কিন্তু তাদের পরিশ্রম, ব্যথা, লড়াই—কিছুই দেখো না। তোমার পথ আলাদা। তোমার লড়াই আলাদা। প্রতিদিন শুধু গতকালের তুমি-কে হারানোই আসল জেতা।
৪. ব্যর্থতার ভয় "What if I fail?" এই ভয়ই তোমাকে আটকায়। মনে রাখো, চেষ্টা না করাই আসল ব্যর্থতা। ভুল করলে তুমি শেখো, চেষ্টা না করলে তুমি একই জায়গায় আটকে থাকো। প্রতি ভুলই তোমাকে পরের স্তরের দিকে ঠেলে দেয়।
৫. সবাইকে খুশি করার চেষ্টা সবাইকে “হ্যাঁ” বলতে বলতে একসময় তুমি নিজেরকেই হারিয়ে ফেলবে। সত্যি কথা হলো— সবাই তোমার সময়, এনার্জি বা মনোযোগের যোগ্য নয়। যেখানে দরকার, স্পষ্টভাবে "না" বলতে শেখো। এটাই আত্মসম্মান, এটাই ব্যক্তিত্বের শক্তি।
𒊹︎ভবিষ্যতের জন্য এই Page টি Follow করুন!
SHORUB



জ্ঞানমূলক কিছু কথা
এই ৮টা সত্যি জানলে-জীবনটা বদলে যেত আরও আগে →
𒊹︎Chapter 1 ☟︎ গুরুত্বপূর্ণ মানুষ আসবে, যাবে এটাই স্বাভাবিক। দুঃখজনক হলেও সত্যি, যাদের তুমি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাবো, তারা একদিন হঠাৎই অচেনা হয়ে যেতে পারে। আবার আশ্চর্যভাবে, পুরো অচেনা কেউ একদিন তোমার জীবনের সবচেয়ে জরুরি মানুষ হয়ে উঠতে পারে। এই পরিবর্তন কষ্ট দেয়, কিন্তু মেনে নিলে এটা তোমার জীবনে থাকা মানুষের মান আর উপযুক্ততা দুটোই উন্নত করে।
𒊹︎Chapter 2 ☟︎ তোমার "ডায়েট” মানে শুধু খাবার নয়। বয়স বাড়লে তুমি বুঝবে- ডায়েট মানে শুধু তুমি কী খাচ্ছো না, তুমি কী দেখছো, কী পড়ছো, কাদের অনুসরণ করছো, আর কার সাথে সময় কাটাচ্ছো, সবই এর অংশ। তোমার মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রথমে ডায়েট থেকে সব "জাঙ্ক”-মানুষ, কনটেন্ট, অভ্যাস সব সরাতে হবে।
𒊹︎Chapter 3 ☟︎ নিজের সুখের জন্য কখনো কখনো মানুষকে হতাশ করতেই হবে। তুমি আর তোমার মানসিক শান্তি-এসব তোমার কাজ, টাকা, লোকের মতামত, পরিবারের আশা-এগুলোর চেয়েও বেশি মূল্যবান। নিজেকে ঠিক রাখতে হলে কাউকে না বলতে হতে পারে। সেটা বলতে দোষ নেই। নিজেকে ভালোবাসা-অন্যের ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছে থেকে সবসময় বড় হওয়া উচিত।
𒊹︎Chapter 4 ☟︎ প্রত্যাখ্যানকে কখনো নিজেকে প্রত্যাখ্যান করার পথে নিয়ে যেও না। যার জীবনে প্রত্যাখ্যান এসেছে, সে আবারও প্রত্যাখ্যানকে ভয় পায়। আর ভয় পেয়ে সে সুযোগ আসার আগেই পালিয়ে যায়। তার অবচেতন মন ভাবে-সে প্রত্যাখ্যান এড়ালো। আসলে সে নিজের হাতেই নিজেকে আবার প্রত্যাখ্যান করলো।
𒊹︎Chapter 5 ☟︎ দায়িত্ব নিজের, ভবিষ্যৎও নিজের। তোমার ট্রমা তোমার দোষ নয়, কিন্তু সেই ট্রমার চক্র ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তোমারই। অতীত যদি তোমার বর্তমানকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে তুমি ভবিষ্যৎ কখনো নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। গতকাল যা হয়েছে সেটা তোমার নিয়ন্ত্রণে নেই, কিন্তু আজ তুমি কী করবে সেটা পুরোপুরি তোমার দায়িত্ব।
𒊹︎Chapter 6 ☟︎ সংখ্যার চেয়ে মান-সবসময় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। জীবনের সৌন্দর্য পরিমাণে নয়, গুণে। একজন মানসম্পন্ন বন্ধু-শত পরিচিতর চেয়েও বেশি মূল্যবান। একটা ভালো সম্পর্ক-শত ফ্লিংসের চেয়েও অনেক বেশি দেয়। একটা ভালো অভিজ্ঞতা-শত রাতের পার্টির থেকেও বেশি শেখায়।
𒊹︎Chapter 7 ☟︎ "ফেয়ারিটেল” মানসিকতা তোমাকে অসুখী করবে। সমাজ তোমাকে কী "করার কথা”-সেই ভাবনায় ডুবে থাকলে তোমার আনন্দটাই মারা যাবে। তোমাকে ২০তে ইউনিভার্সিটিতে যেতেই হবে-এটা বাধ্যতামূলক নয়। ২৩-এ চাকরি, ২৫-এ বাড়ি, ৩০-এ বিয়ে, ৩৫-এ সন্তান—এসব কোনো নিয়ম নয়। প্রত্যেকের পথ আলাদা, তোমার সুখও তোমার মতোই আলাদা হবে।
𒊹︎Chapter 8 ☟︎ আনন্দ তোমার-তুমিই সংজ্ঞা দেবে। জীবন উপভোগ করতে চাইলে, অন্যের "ফান”-এর সংজ্ঞা কপি কোরো না। ফান মানে শুধু পার্টি, আড্ডা, মদ নয়। ফান হতে পারে-একটা একাকী রাত, ভালো বই, গভীর কথা, হাঁটা, আঁকা, গান, বা তুমি যার কাজ ভালোবাসো সেটা করা। তোমার আনন্দ তোমার নিজের তাই সেটার সংজ্ঞা তুমিই ঠিক করবে।
SHORUB


♥️Please Follow Me🙏
Next Post Previous Post